শব্দ যুদ্ধের অস্ত্র-"মাজার পূজারি"
◆━━━━━━◆❃◆━━━━━━◆
◆━━━━━━◆❃◆━━━━━━◆
💧আমরা পবিত্র ক্বাবা শরীফের দিকে মুখ করে সিজদা করি।আমরা কি ক্বাবা শরীফের পূজা করি নাকি আল্লাহর ইবাদত করি?
💧হাজরে আসওয়াদ পাথরে চুম্বন করে আমরা কি পাথর পূজা করি নাকি আল্লাহর ইবাদত করি?
💧লাইলাতুল নিফসি মিন সাবানের রাত্রিতে হুজুর আকরাম(স) সাহাবিদের কবরের পাশে গিয়ে দোয়া করেছিলেন(সূত্রঃবোখারী শরীফ)।এটা কি করব পূজা(নাউজুবিল্লাহ) নাকি ইসলামিক ইবাদত?
💧ক্বাবা শরীফের আশেপাশে অনেক নবী(আ) গনের রওজা শরীফ রয়েছে।আমরা কি মক্কায় হজ্জ করতে যাই নাকি মাজার পূজা ও কবর পূজা করতে যাই?
আমরা কখনো মাজার শরীফের ইবাদত করতে মাজার শরীফে যাই না।আমরা মাজার জিয়ারত করতে যাই।আল্লাহর অলির উছিলায় আল্লাহর কাছে চাই। উছিলাকে আল্লাহ পাক নিজেই পবিত্র কোরআনে হালাল করেছেন।যারা উছিলা অস্বীকার করে তারা মূলত পবিত্র কোরআনকেই অস্বীকার করে। আর যারা কোরআনকে অস্বীকার করে তারা আল্লাহকেই অস্বীকার করে।যারা উছিলা অস্বীকার করে তারা তাদের মা বাবাকে অস্বীকার করে।কেননা মা বাবার উছিলায় আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন।তাই আল্লাহর অলিদেরকে ভালোবেসে উনাদের মাজারে জিয়ারত করতে গেলে মাজার পূজা হয় না,যেমনি ভাবে ক্বাবা শরীফে জিয়ারত করলে ক্বাবার পূজা হয় না, হাজরে আসওয়াদে চুম্বন করলে পাথর পূজা হয় না।ক্বাবার আশেপাশে অনেক নবী(আ) গনের রওজা থাকা সত্বেও সেখানে সিজদার কারনে মাজার পূজা হয় না। মাজার পূজা কেবলই শব্দ যুদ্ধের একটি অস্ত্র। কারন ওহাবি ফেরকা যখন ওহাবি নামের যাতাকলে পিষ্ট, তখন নিজেদের অন্তরের প্রশান্তি ও ওহাবি নামকে পর্দার অন্তরালে নেয়ার অস্ত্র হিসেবে কোরআন সুন্নাহ বিরোধী অস্ত্র হিসেবে তারা মাজার পূজারী শব্দটিকে চয়ন করে নিয়েছে।তাদের কামনা বাসনা হলো যাদের মাধ্যমে আমরা ইসলাম পেয়েছি "মাজার পূজারী" শব্দের ইয়াজিদী অস্ত্র দ্বারা ওই সমস্ত ইসলাম প্রচারক আউলিয়া কেরাম থেকে আমাদেরকে দূরে সরানো।ইয়াজিদ পূজারী এই সকল লোক থেকে আল্লাহ পাক আমাদের ঈমান ও আমলকে রক্ষা করুক।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন